হে দানব চীন, তোমার আগ্রাসী জংলীপনা এক্ষুনি থামাও।

April 4, 2020, 12:22 PM, Hits: 411

হে দানব চীন, তোমার আগ্রাসী জংলীপনা এক্ষুনি থামাও।

খান শওকত, হ-বাংলা নিউজ : মনটা ভালো নেই। খুব কান্না পাচ্ছে। কেন জানি বলতে ইচ্ছে করছে: কম খরচে যুদ্ধজয়ের মরনঘাতি মারনাস্ত্রের নাম করোনা ভাইরাস। ঘর বাড়ি সব অক্ষত থাকবে, শুধু মানুষ মরে শেষ হয়ে যাবে।

২০১৯ সালের ১০ই ডিসেম্বরে প্রথম করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন চীনের হুবেই প্রদেশের ৬৭ বছর বয়সী নারী ওয়েই গুইশিয়ান। তিনি উহান শহরে বাজারে চিংড়ি মাছ বিক্রি করতেন। তিনি এখনো বেচে আছেন।

করোনা ভাইরাসটি অন্যসব ভাইরাস থেকে ১০ গুন বেশী ভারী। তাই উড়ে চলে যাচ্ছেনা। মাটিতে পড়ে থাকছে। পুকুরে বা নদীতে থাকছে, মাছেরা খাচ্ছে, ফসলের সাথে মিশে যাচ্ছে, ফল মুলের সাথে মিশে যাচ্ছে। আবারো তা ফিরে আসবে আমাদের শরীরে। হয়ত একটি সময় থেমে যাবে করোনা ভাইরাসের এই ভয়াবহতা। কিন্তু এই বিষাক্ত জৈবজীবানুর জন্য অনেকদিন পর্যন্ত সবজী, ফল, মাছ, গবাদীপশু, বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা ভোগ করবে মানব জাতি।

আরেকটি সংবাদে হতাশাই বেড়ে গেলো। সুস্থ্য হয়ে আবারও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন চীনের অনেক মানুষ। অর্থাৎ একই অবস্থা ঘটবে সারা পৃথিবীতে। মরন ছাড়া কোন পথ নেই এ মানবজাতির। বিশ্ব স্বাস্হ্য সংস্থা বারবার সাবধান করেছিলো জৈব রাসায়নিক মারনাস্ত্র তৈরী করলে তা বিশ্বব্যাপী মহামারিতে রুপ নেবে।

আমেরিকার বিখ্যাত গবেষক ফ্রান্সিস বয়েল BBC তে এক সাক্ষাতকারে দাবী করেছেন, করোনা ভাইরাস হচ্ছে জৈব মারনাস্ত্র! চীনারা তাদের ইউহান BSL-4 ল্যাবে এই ভাইরাসটা তৈরীর সময় দূর্ঘটনা বশত: তা ছড়িয়ে পড়ে। অনলাইনে সাক্ষাতকারটি এখনো আছে।

বিভিন্ন তথ্য প্রমান দেখে মনে হচ্ছে, করোনা ভাইরাস চীনের পূর্ব পরিকল্পিত আবিস্কার। প্রথমে নিজের দেশের শুধু বিশেষ একটা এলাকার কিছু দরীদ্র লোক কমিয়েছে। সরকারি হিসেবে প্রায় ৪ হাজার। এরা সব সাধারন মানুষ। এরপর সারা পৃথিবীতে তারা ভাইরাসটি ছড়িয়ে দিয়েছে। এখন দুই শতাধিক দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা পঙ্গু করছে। এরপর নিজের দেশে আগে থেকেই যেসব ভ্যাকসিন তৈরী করা আছে ঐগুলো বিশ্বব্যাপী এক্সপোর্ট করে মানি মেক করবে, এবং নিজেকে ১০০% স্বয়ং সম্পূর্ন করে পুরো বিশ্বকে নিয়ন্ত্রন করবে। হয়ে যাবে বিশ্ব মোড়ল। এই অভিযোগে সবাই চীনের দিকে আঙ্গুল তুলছে। ওদিকে চীন বলছে অন্য দেশের নাম। কাজটা যেইই করুক না কেন, এমন অপ: রণকৌশলের মরন খেলায় এ পৃথিবীটা বসবাসের অযোগ্য হবার দ্বারপ্রান্তে।

চীনের উহান থেকে উৎপন্ন হওয়া ভাইরাস পৌঁছে গেল পুরো বিশ্বে, কিন্তু বেজিং ও সাংহাই এ তা প্রবেশ করতে পারলো না! অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কানাডার প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী এবং ব্রিটেনের যুবরাজ চার্লসসহ বিশ্বের বড় বড় নেতা, এমনকি হলিউড তারকারাও করোনা দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন। জার্মানে করোনার প্রকোপে দেশের অর্থনীতির দুশ্চিন্তায় অর্থমন্ত্রী থমাস শেফার আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত চীনের কোন নেতা বা কোনো সামরিক কমান্ডারকেও স্পর্শ করেনি করোনা ভাইরাস! কেন?

করোনা বিশ্ব অর্থনীতিকে ইতিমধ্যে ধ্বংস করে দিয়েছে, হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, লক্ষ লক্ষ মানুষ এই রোগে ভুগছে এবং কোটি কোটি মানুষ ঘরে বন্দি হয়ে পড়েছে, অনেক দেশ লক ডাউন হয়ে গেছে। ঘোর আতংকে কাটছে সারা বিশ্বের প্রতিটি প্রহর। কিন্তু চীন?

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি বিশ্লেষক নোয়াম চমস্কি (৯১) অ্যারিজোনায় এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘করোনাভাইরাস অনেক বড় এক ভয়ের কারণ, কিন্তু ভবিষ্যতে আরো বড় দুই বিপদ এগিয়ে আসতে পারে আমাদের দিকে, যা হবে মানব ইতিহাসে এ পর্যন্ত ঘটে যাওয়া সবচেয়ে জঘন্য ঘটনা: যার একটি হলো পরমাণু যুদ্ধ, আর অপরটি হচ্ছে চলমান বৈশ্বিক উষ্ণায়নের হুমকি।

করোনার ভাইরাসটি চীনের উহান শহর থেকে উৎপন্ন হয়েছিল, এবং এখন বিশ্বের প্রতিটি কোণে পৌঁছেছে। তবে আশ্চর্যের বিষয় ভাইরাসটি চীনের রাজধানী বেইজিং এবং অর্থনৈতিক রাজধানী সাংহাইয়ে পৌঁছায়নি। অথচ শহরগুলির মধ্যে খুব একটা দূরত্ব নেই। যেমন, দুরত্বের হিসাবটি করলে যা পাওয়া যায়: উহান থেকে সাংহাই = ৮৩৯ কি: মি:, উহান থেকে বেজিং = ১১৫২ কি: মি:, উহান থেকে মিলান = ১৫০০০ কি: মি:, উহান থেকে নিউইয়র্ক = ১৫০০০ কি: মি:, উহান থেকে ইটালি = ৮৬৯৫ কি: মি:, উহান থেকে ভারত = ৩৬৯৫ কি: মি:, আর উহান থেকে ইরাণ = ৫৬৬৭ কি:, মি:। বহুদূরের দেশগুলোতে করোনা পৌছে গেল খুব অনায়াসে। অথচ চীনের বেইজিং বা সাংহাইয়ে পৌছালোনা। কারন কি?

বেইজিং এমন এক শহর যেখানে চীনের সমস্ত বড় বড় নেতা বসবাস করেন, সামরিক নেতারা বসবাস করেন, যারা চীনের শক্তি তারা এখানে বাস করেন। বেইজিংয়ে কোনও লক ডাউন নেই, এখানে সব খোলা রয়েছে, করোনার কোনও প্রভাব নেই। আর সাংহাই হল সেই শহর যা চীনের অর্থনীতি পরিচালনা করে। এটি চীনের অর্থনৈতিক রাজধানী। এখানে চীনের সমস্ত ধনী ব্যক্তি বাস করে। এখানে কোনও লক ডাউন নেই, এখানে করোনার কোনও প্রভাব নেই। করোনা পুরো বিশ্বে পৌঁছে গেলেও বেজিং ও সাংহাই পৌঁছাতে পারলোনা।

যারা বলছেন চীন যেসব বন্যপ্রানী খায় তা থেকে করোনা ভাইরাস হয়েছে। আমার প্রশ্ন: ঐসব খাবার শত শত বছর ধরেতো তারা খাচ্ছেন, হঠাৎ সেসব খাবার থেকে এটা হবে কেন? তাই Investigation করা দরকার।

করোনা ভাইরাস নিয়ে অনলাইনে একটি পিটিশন চালু করেছে চীনের সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস। তারা করোনা ভাইরাস নিয়ে সত্য উন্মোচন করার জন্য মার্কিন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তারা দাবি করেছে করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি চীনে নয়। জাপানের সংবাদ মাধ্যম আসাহিও দাবি করেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই প্রথম করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি হয়। আবার ইসরাইল এবং মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর 

 
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ