সংবাদ সম্মেলনে মুনা নেতৃবৃন্দ ৩-৫ জুলাই অনুষ্ঠিত কনভেনশন হবে বাংলাদেশী-আমেরিকানদের সর্ববৃহৎ ইসলামী সম্মেলন

March 11, 2020, 3:00 PM, Hits: 198

সংবাদ সম্মেলনে মুনা নেতৃবৃন্দ ৩-৫ জুলাই অনুষ্ঠিত কনভেনশন হবে বাংলাদেশী-আমেরিকানদের সর্ববৃহৎ ইসলামী সম্মেলন

হ-বাংলা নিউজ, নিউইয়র্ক থেকে : মুসলিম উম্মাহ অফ নর্থ আমেরিকা (মুনা) আয়োজিত সপ্তম কনভেনশন-২০২০ আগামী ৩, ৪ ও ৫ জুলাই যথাক্রমে শুক্র, শনি ও রোববার ফিলাডেলফিয়ার ঐতিহাসিক পেনসিলভেনিয়া কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। কনভেনশনের সকল প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী নতুন প্রজন্ম সহ সর্বস্তরের ২০ হাজার বাংলাদেশী-আমেরিকানের সমাবেশ ঘটবে এবং এই কনভেনশন হবে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী-আমেরিকানদের সর্ববৃহৎ ইসলামী সম্মেলন। 

সিটির জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি সেন্টারে গত ২ মার্চ সোমবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপরোক্ত তথ্য জানানো হয়। মুনা নিউইয়র্ক সাউথ জোন সভাপতি হাফেজ আব্দুল্লাহ আল আরিফ-এর স ালনায় সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ইঞ্জিনিয়ার নাসির উদ্দিন আহমদ। 

পরবর্তীতে সপ্তমবারের মতো অনুষ্ঠিতব্য মুনা কনভেনশন-২০২০ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মুনা’র ন্যাশনাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. সাঈদুর রহমান চৌধুরী। এরপর উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন মুনা’র ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর হারুন আর-রশীদ, মুনা কনভেনশন-২০২০ এর কনভেনর আরমান চৌধুরী, মুনা নর্থ জোন-এর সভাপতি আহমদ আবু উবায়দা। 

সংবাদ সম্মেলনে পঠিত লিখিত বক্তব্যে ডাক্তার সাঈদুর রহমান চৌধুরী গত কয়েকদিনে দিল্লীতে সন্ত্রাসী হামলায় হতাহতদের জন্য সমবেদনা জ্ঞাপন ও বিশ্বব্যাপী আতংক ছড়ানো মরণব্যাধী করোনা ভাইরাস থেকে মানবতাকে রক্ষার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া কামনা করে বলেন, মুনা প্রতি বছরের ন্যায় এবারো ৩, ৪, ও ৫ জুলাই ফিলাডেলফিয়ায় অবস্থিত পেনসিলভেনিয়া কনভেনশন সেন্টারে বিশাল কনভেশন করতে যাচ্ছে। এই কনভেনশন মুসলিম জীবনে বিশেষ করে বাংলাদেশী-আমেরিকান পরিবারের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

মুনা আমেরিকার একটি দাওয়াতি ও সামাজিক সংগঠন। মানুষের ব্যক্তিগত, নৈতিক ও সামাজিক মানোন্নয়নের জন্য সার্বিক প্রচেষ্টা চালানোর মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় মুনা। এই সংগঠনটি ১৯৯০ সালে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে কর্পোরেশন-ভুক্ত হয়। বর্তমানে মুনা আমেরিকার ৩০ এর অধিক রাজ্যে কর্মতৎপরতা পরিচালনা করছে। মুসলিমদেরকে প্রাত্যহিক, সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকান্ড এবং জাতীয় জীবনে ভূমিকা পালনের নিমিত্তে সংগঠিত করতে ঐকান্তিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে করে এই সমস্ত ব্যক্তিবর্গ আল্লাহ এবং তার রাসূল হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসরনের মাধ্যমে সুচারুরূপে মানবতার সেবা করে যেতে পারেন।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়: সাংবাদিক ও কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের সার্বিক সহযোগিতায়, সর্বোপরি মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে মুনা বিগত কয়েক বছর যাবত বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছে বিশালাকারের কনভেনশন। ২/৩দিন ব্যাপী ঐ কনভেনশন বাংলাদেশী কমিউনিটি সহ আমেরিকান ও আমেরিকান মুসলিম কমিউনিটির মাঝে ব্যক্তি ও সমাজ গঠনে প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। আমরা মুনা ন্যাশনাল সংগঠনের পক্ষ থেকে আপনাদেরকে এবং আপনাদের মাধ্যমে গোটা বাংলাদেশী কমিউনিটিকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। জানাচ্ছি সবাইকে মোবারকবাদ, আন্তরিক ভালবাসা। বিগত কনভেনশনগুলোতে বিভিন্ন থিমকে সামনে রেখে কনভেনশনের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়ে আলোচনার পর এবারের কেন্দ্রীয় আলোচ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। আল কুরআন পথনির্দেশ করে গোটা মানব জাতিকে। কল্যাণকর ও নির্ভূল পথ প্রদর্শন করে পথ ভ্রান্ত দিকহারা মানবতাকে। ব্যক্তি জীবন থেকে রাষ্ট্রীয় জীবন, মানব দেহের অভ্যন্তরে লুকায়িত অন্তকরণ থেকে সৃষ্টি লোকের বিশাল রাজ্যে বিস্তৃত মানব সম্পর্কিত প্রতিটি স্তরে বিশ্ববাসীর কল্যাণে এক নির্ভূল গাইড হিসেবে ভূমিকা রাখে এই মহাগ্রন্থ। এটা বিজ্ঞানময়, এটা অলৌকিক পরিবর্তনের প্রতিশ্রæতি। এটা একজন বিশ্বাসী মানুষের শর্তাংশ। ব্যক্তি পরিবার এবং সমাজ পরিবর্তনের একমাত্র শ্বশত চ্যালেঞ্জিং বিধান। এটা শুধু মুসলিম তথা ইসলামে বিশ্বাসীদের জন্য নয়, এটা গোটা মানব গোষ্ঠির উন্নতি ও অগ্রগতির স্বর্গীয় সোপান। এ মহাগ্রন্থের কল্যাণকর পরশ প্রতিটি হৃদয়ে, প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি সমাজের রন্ধে রন্ধে পৌঁছে যাক ‘মুনা’ এই বিশ্বাস ধারণ করেই এ বারের কনভেনশনে মূল কেন্দ্রীয় প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করেছে। এই কাজে আপনাদের মাধ্যমে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়: মুসলিম উম্মাহ অফ নর্থ আমেরিকা একটি ফেইথ বেইজ দাওয়াতী ও সামাজিক সংগঠন। একটি দাওয়াতী সংগঠন হিসাবে মুনা মুসলিমদেরকে আহবান করে তাদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ইসলাম পালনের এবং অমুসলিমদের কাছে ইসলামের সঠিক শিক্ষা তুলে ধরতে। একটি অলাভজনক সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠন হিসাবে মুনা আমেরিকা কিংবা বিদেশে কোন রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। নিজস্ব স্বতন্ত্র সংবিধান এবং কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির আলোকেই এই সংগঠনটি পরিচালিত হচ্ছে জন্মলগ্ন থেকে। মুনা প্রধানত ঐ সমস্ত কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকে যাতে করে একজন ব্যক্তিকে সংশোধনের মাধ্যমে সর্বাঙ্গীন সামাজিকভাবে কল্যাণকর ব্যক্তিতে পরিণত করা যায়। এ লক্ষ্যে মুনা ব্যক্তিদেরকে আধ্যাত্বিক, নৈতিক এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষন কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। মুনা চায় এমন সব প্রশিক্ষিত মানব সম্পদের উন্নয়ন, যারা তাদের ¯্রষ্টা ও প্রতিপালক আল্লাহ তাআলার সাথে সম্পর্কে সামঞ্জস্য রক্ষা করে চলে এবং একই সময়ে সমাজের সর্বক্ষেত্রে উৎপাদনমুখী ভূমিকা পালন করে।

ডাক্তার সাঈদুর রহমান চৌধুরী বলেন, মুনা সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক, ষান্মাসিক এবং বার্ষিক পরিকল্পনার ভিত্তিতে বিভিন্ন ধরনের ও পর্যায়ের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করে থাকে; যাতে শিক্ষাদান করা হয় ইসলামের বিভিন্ন দিক ও বিভাগ এবং মানুষের দৈনন্দিন সাধারন সামাজিক-সাংস্কৃতিক জীবন সম্পর্কিত বিষয়াবলী। মানুষের ব্যক্তিগত মানোন্নয়ন ছাড়াও মুনা স্থানীয় ও জাতীয় জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে নানা সামাজিক ও নাগরিক অধিকার সংশ্লিষ্ট কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করে থাকে। নিজেদের সাধ্য ও সামর্থানুযায়ী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদেরকে বিভিন্ন ধরনের দাতব্য ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকান্ডে প্রতিনিয়ত উৎসাহিত ও সংযুক্ত করছে; যাতে করে তারা যুক্তরাষ্ট্র সহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে দু:স্থ মানবতার পাশে দাঁড়াতে পারে। আর এরই অংশ হিসেবে ছোট ছোট কর্মসূচির পাশাপাশি আয়োজন করেছে ৭ম বারের মতো কনভেনশন, ‘মুনা কনভেনশন-২০২০’। এবারের কনভেনশনে আমাদের টার্গেট ২০ হাজার লোকের সমাগম। এই টার্গেট বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি এবং আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।

তিনি বলেন, মুনা নিজের জনশক্তি ও অন্যান্য মুসলিমদেরকে নিয়ে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দিতে চায় যাতে করে তারা অন্য ধর্মাবলম্বী ও ভিন্ন ভাষাভাষী বর্ণ ও গোত্রের জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবেশীদের সাথে পারস্পারিক সংলাপে নিয়োজিত হতে পারে, যার মাধ্যমে অন্ত: ও আন্ত: সা¤প্রদায়িক বোঝাপড়া, সামাজিক প্রসার ও উন্নয়ন ঘটানো যায়। মুনা মনে করে, এ প্রক্রিয়ায় এই সমাজে সৌহার্দ্য ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব। এবারের কনভেনশন এই ক্ষেত্রেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়: মুনা একটি অরাজনৈতিক সংগঠন হলেও রাজনীতি সম্পর্কে উদাসীন বা বেখবর কোন দল নয়। যেহেতু রাজনীতি আমাদের জীবনকে প্রতিনিয়ত প্রভাবিত করে তাই মুনা এর জনশক্তি ও অন্যান্যদের মাঝে রাজনৈতিক নাগরিক ও নাগরিক সচেতনতা সৃষ্টি করতে চায়; যাতে করে রাজনৈতিক বিষয়াবলীতে নাগরিকগণ সচেতনভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং এর ফলে রাষ্ট্রীয় জীবনে সুচারু সিস্টেম বহাল থাকে। মুনা চায়, বিশ্বকে নেতৃত্ব দানকারী এই আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের জনশক্তি এবং অন্যান্য নাগরিকগণ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সাথে সক্রিয় যোগাযোগ রক্ষা করে চলুক, যাতে করে তাদের কথা শোনা হবে এবং তাদের অধিকার রক্ষা করা যাবে এবং তাদেরকে সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনের একপ্রান্তে ঠেলে দিয়ে উপেক্ষা করা হবে না।

ডা. সাঈদুর রহমান চৌধুরী বলেন, মুনা আমেরিকায় জাতীয় ভিত্তিক সংগঠন হলেও মুনার প্রাথমিক ফোকাস হচ্ছে বাংলা ভাষাভাষী তথা বাংলাদেশী-আমেরিকান কমিউনিটি। মুনা প্রধানত: বাংলা ভাষাভাষীদের মাঝেই এর কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকে। এদের দুনিয়াবী ও পরকালীন কল্যাণ নিশ্চিত করতেই মুনা তার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই দেশে বাংলা ভাষাভাষী মুসলিমরা ও অন্যান্যরা কিভাবে এখানকার মূলধারার জীবনে অংশগ্রহণ করে নিজেদের অধিকার নিশ্চিত করবে এবং একই সাথে নিজের আধ্যাত্মিক, নৈতিক ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের সংরক্ষণ করবে সে বিষয়ে মুনা সচেতন। আর তাই মুনা চায় বাংলাদেশী-আমেরিকানরা মুনার কর্মতৎপরতায় বেশি বেশি করে সক্রিয় অংশগ্রহণ করুক। সাথে সাথে বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে গড্ডালিকা প্রবাহ থেকে বাঁচাতে মুনা চায় প্রতিটি বাংলা ভাষাভাষী অভিভাবক তাদের সন্তানদেরকে মুনা ইয়ুথ এবং ইয়াং সিস্টার অফ মুনার সাথে সম্পৃক্ত করুক।

মুনা চায় বাংলাদেশী-আমেরিকানদের আমেরিকার মূলধারার মুসলিম স্কলার ও নেতৃবৃন্দের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে এবং পূর্বে বর্ণীত মুনার কর্মকান্ডের কিছু প্রায়োগিক দিককে পরিচয় করিয়ে দিতে। আর এর জন্য ভূমিকা রাখবে মুনার এবারের কনভেনশন ২০২০। আমেরিকায় ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনে গঠনে নির্ভুল দিক নির্দেশনা রয়েছে কোরআনে তা’ই তুলে ধরবেন বিশ্বখ্যাত সুপরিচিত ও সুবিজ্ঞ আলোচকবৃন্দ। এবারের ইংরেজি আলোচকদের সাথে সাথে থাকবেন বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশ থেকে আগত বাংলা ভাষার ইসলামিক স্কলারগণ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়: প্রতিবারের মতো এবারেও তরুণ ছেলে-মেয়েদের জন্য থাকবে আলাদা ‘ইয়ুথ কনভেনশন’। আল কোরআনের অনুসরণে কল্যাণকর জীবন যাপন সম্ভব বিভিন্ন দিক ও বিভাগের উপর প্যারালাল প্রোগ্রাম। আলোচনা ছাড়াও থাকবে ‘মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান’ বিভিন্ন ইসলামী ও অন্যান্য সামগ্রীর দোকান নিয়ে বিশাল বাজার। ছোট ছেলে-মেয়েদের জন্য শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান ‘লার্ন এন্ড ফান’। আর বিভিন্ন ‘খেলাধুলা-রাইড’ এর ব্যবস্থা। এছাড়া ফিলাডেলফিয়া ভ্রমণকারীদের জন্য থাকবে আমেরিকার স্বাধীনতা আন্দোলনের স্মৃতিবহুল ‘ভ্রাতৃপ্রতিম ভালোবাসার শহর’ নানা দর্শনীয় স্থান পরিভ্রমণ ও পরিদর্শনের সুযোগ। সর্বোপরি, পরিবার-পরিজন বন্ধু-স্বজন আর গোটা আমেরিকা থেকে আসা বাংলা ভাষাভাষীদের এই সর্ববৃহৎ মিলন মেলায় অংশগ্রহণের সুবর্ণ সুযোগ।

ডা. সাঈদুর রহমান চৌধুরী তার বক্তব্যে সকল বাংলাদেশী-আমেরিকানদের মুনা কনভেনশন-২০২০ এ অংশগ্রহণের উদাত্ত আহবান জানান। 

 

 
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ