লস্ এঞ্জেলেসে গৌরবময় ১৭বছরে পদার্পন 'লস্ এঞ্জেলেস বৈশাখী মেলা ২০১৮'!

July 11, 2018, 3:14 PM, Hits: 4962

লস্ এঞ্জেলেসে গৌরবময় ১৭বছরে পদার্পন 'লস্ এঞ্জেলেস বৈশাখী মেলা ২০১৮'!

হ-বাংলা নিউজ, হলিউড থেকে: বাংলাদেশের সংস্কৃতি যেন দেশ ছেড়ে দেশান্তরে....যেখানেই বাঙ্গালী সেখানেই যেন সংস্কৃতি মিশে আছে প্রাণের সাথে! তাই তো আবারো প্রমাণ করলো লস্ এঞ্জেলেসে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা।  গত ৭ই জুলাই রোজ শনিবার হলিউড খ্যাত মহানগরী লস্ এঞ্জেলেসের বাংলাদেশী অধ্যুষিত লিটল বাংলাদেশ এলাকার ব্যাক ইয়ার্ড হিসেবে পরিচিত ভার্জিল মিডল স্কুলের সুবিশাল প্রাঙ্গনে আয়োজিত হয় ২ দিন ব্যাপি বৈশাখী মেলা ২০১৮।  দৃষ্টিনন্দন প্যান্ডেলের নিচে অসংখ্য দর্শক শ্রোতাদের মাঝে ছিলো প্রাণের উচ্ছাস। 

 দেখতে দেখতে গৌরবময় ১৬তম বছর পেরিয়ে বাংলাদেশী আমেরিকানদের প্রাণের মেলা 'লস্ এঞ্জেলেস বৈশাখী মেলা-২০১৮' তে পদার্পন করল ১৭তম বছরে।  সুতরাং, এই মহা

 গৌরবময় ১৭তম বৈশাখী মেলা কমিটি ঢালউভাবে সাজিয়েছে এবারের আয়োজনটিকে।  তাই তো অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর বর্ণাট্য ও জাকজমকপূর্ণতায় ভরপুর ছিলো প্রায় প্রতিটি মুহুর্ত।   

''দে...না তোরা দে....না সে মাটি আমার অঙ্গে মাখিয়ে দেনা....'' এমনই এক জনপ্রিয় দেশাত্বকবোধক গান দিয়ে শুরু করেন দেশখ্যাত জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পি সৈয়্দ আব্দুল হাদী।   এরপর তার সুযোগ্য কন্যা তনিমা হাদীকে নিয়ে গাইলেন আরও বেশ কিছু জনপ্রিয় গান।

১ম দিন আরও গান পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পীগণ যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিটিভি'র একসময়ের জনপ্রিয় গায়ক  এম. এ শোয়েব যিনি একসময়ে লস্ এঞ্জেলেসে বসবাস করতেন।

  তাই লস্এঞ্জেলেসবাসীর প্রতিবছরের বৈশাখী মেলায় হ্রদয়ের টানে চলে আসেন এবং তৃষ্ণার্ত হ্রদয়ে সু গায়কী গানের সুরর জল ঢেলে দেন।  এছাড়া নিউইয়র্ক থেকে আগত হালের হার্টথ্রব গায়ক দম্পতি রায়ান তাজ এবং প্রমী তাজ যাদের গানের তালে পুরো অডিয়েন্স নেচে উঠে। 

২য় দিন গানের মূর্ছনায় দর্শক শ্রোতাদের ভাসিয়ে নিয়ে যান ইন্ডিয়ান আইডল ফাইনালিষ্টখ্যাত পুজা চ্যাটার্জি, চ্যানেল আই সেরা কন্ঠ মারিয়া আক্তার মৌ ৫/৬ টা গান পরিবেশন করে

 শ্রোতাদের মাতিয়ে রাখেন।। প্রথমবারের মতো লস্ এঞ্জেলেসে বাউল দল মন-পবণ অসাধারন কিছু গান পরিবেশন করেন যার ফউন্ডার সিদ্দিকুর রহমান।  তাঁকে লস্ এঞ্জেলেস বৈশাখী

 মেলা কমিটির পক্ষ থেকে বেস্ট অর্গানাইজার হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়।  তিনি তার বাউল দল নিয়ে ইতিমধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।  স্থানীয় শিল্পিদের মধ্যে সোনিয়া খুকু'র মিষ্টিগলার পাগলপ্রায়

 গান যেন ছিলো অসাধারন।   গানের কথার তালে তালে স্থানীয় বাচ্চাদের নৃত্য পরিবেশন যেন বাড়তি আনন্দের যোগান দিয়েছে।

মেলা প্রাঙ্গনের দর্শক ও আগুন্তুকদের বাড়তি আকর্ষন ছিলো বিভিন্ন ধরনের দেশী পোশাক, দেশী খাবার-দাবার, বইপত্র ও হরেকরকম স্টলগুলোর প্রতি, যেখানে বাঙ্গালীদের ভীর বেশ পরিলক্ষিত হয়। 

সাজিয়া হক মিমি   ও আশরাফ আহমেদ মিলন এর চমৎকার উপস্থাপনা যেন সবার মন কেড়েছে।  অসাধারন উপস্থাপনা যেন প্রতিটি ইভেন্টগুলোকে করেছে আরও প্রাণবন্ত।

দুদিন ব্যাপি লস্ এঞ্জেলেস বৈশাখী মেলা ২০১৮ যেন তৃপ্ত বিনোদন, লস্ এঞ্জেলেসের প্রতিটি বাঙ্গালী জীবেনে বেচেঁ থাকার প্রত্যাশা। 

 
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ